Film Review: Bombay Velvet

bombay_velvet

ফিল্ম সমালোচনা: বম্বে ভেলভেট

সত্যি কথা বলতে কি, সিনেমাহলে ঢোকার আগের মুহূর্ত পর্যন্তও একটু খুঁতখুঁতানি ছিল মনে, কি জানি ৩০০ টাকার টিকিটটা জলে ভাসালাম কিনা। জলে ডুববেনা sure জানতাম কারণ after all অনুরাগ কাশ্যপের পরিচালনা – আমার অন্যতম প্রিয় পরিচালক। তবে বিভিন্ন review পড়ছিলাম। বেশীরভাগই খারাপ বলছিল। অতএব confusion-এর দোলাচলে দুলতে দুলতে cinema hall-এ পদার্পণ।

হল ঠিক উল্টো। অন্তত আমার কাছে। সব মানুষের ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দ থাকে। আমার ভালো লেগেছে বলেই যে আপনারও ভাল লাগবে তেমন নাও হতে পারে। আমার একটু dark cinema ভালো লাগে। তার সাথে Period drama bonus এলে তো কোন কথাই নেই। পুরো আড়াই ঘন্টা হু হু করে যেন কেটে গেল। Seat-এর সাথে আমার পিঠ শক্ত করে ঠেকানো। নড়তে চড়তে ন্যূনতম ইচ্ছে করছিলনা। ১৯৫০ থেকে ১৯৭০ সালের মধ্যে ছোট্ট বম্বের তিল তিল করে বেড়ে ওঠা, অপরাধ জগতের ডালপালা বিস্তার, মাৎস্যন্যায়ের মত বড় মাছ, I mean বড়োলোক মানুষদের ছোট মাছ তথা গরীব মানুষদের use করা, use করার পর dustbin-এ ফেলে দেওয়া, ফেলে দিয়েও ক্ষমতার জোরে আজকের সলমন খানদের মত পার পেয়ে যাওয়া তুলির মসৃণ টানে রূপোলি পর্দার ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলেছেন অনুরাগ। সুন্দর জানেন কোন রঙ কোথায় কতটা ব্যবহার করতে হবে। জ্ঞান প্রকাশের লেখা Mumbai Fables-এর উপর তৈরী করা (এমনকি জ্ঞান প্রকাশ সিনেমাটার চিত্রনাট্য রূপায়ণের team-এ থাকলেও) হলেও অনুরাগ তাঁর শিল্পভাবনার স্বাতন্ত্র বজায় রেখেছেন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।

Jazz singer রোজি (অনুষ্কা শর্মা) আর boxer জনির (রণবীর কাপুর) প্রেমকাহিনীটা খুব মিষ্টি। ঝাল ঝাল ব্যাপারও আছে তার মধ্যে একটু একটু। আর টক টক ব্যাপারতো must যেকোন love story তে। একটু ঝগড়া, একটু রাগ, একটু possesiveness আর একটু হিংসে ছাড়া প্রেম অসম্পূর্ণ। এই সবকটা angle নায়ক নায়িকা সিনেমায় সাবলীলভাবে সম্পূর্ণ করেছেন। দেখতেও চমৎকার দুজনেই। রণবীরের ষাটের দশকের hairstyle, অনুষ্কার রকমারি পোষাক আর করণ জোহরের acting debut. কোনটা ছেড়ে কোনটা দেখি ?

রবিনা ট্যান্ডন যথাযথ অভিনয় করেছেন cameo appearance-এ। তাঁর একটা সাক্ষাৎকার পড়ছিলাম দিনকয়েক আগে যে ফিল্মে পুরোপুরিভাবে আর ফিরতে চান না। ফিরলে যে ভুল করবেন না আমি একরকম নিশ্চিত। দেখতেও বেশ glamorous লেগেছে তাঁকে। অমিত ত্রিবেদীর Music অনবদ্য। Background score ভীষণভাবে apt. সবথেকে ভাল লাগল অবশ্য মজরু সুলতানপুরীর লেখা, ও.পি.নাইয়ারের সুরে আর সুমন শ্রীধরের গলায় ‘ফিফি’ গানটা। সোনাল সাওয়ান্তের Set design আর সমীর সাওয়ান্তের art direction অসাধারণ। অ্যাশলে লোবোর choreography সময়োপযোগী। রাজীব রবির ক্যামেরার কাজ, চাক পিসারনির নির্দেশিত action scenes আর থেলমা স্কুনমেকার-প্রেরণা সায়গলের editing ঠিকঠাক।

আমার মতে, ৩.৫/৫ stars.

Leave a Comments

Your email address will not be published. Required fields are marked *